এন্ড্রয়েড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এন্ড্রয়েড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২০ জুন, ২০১৪

দাম বাড়তে যাচ্ছে মোবাইল ফোনের

দাম বাড়বে মোবাইল ফোনের।
দাম কমবে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের।


অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় দেশি মোবাইল ফোনের “অসম প্রতিযোগিতা” দূর করার লক্ষ্যে আমদানীকৃত মোবাইলের উপর শতকরা ১৫ ভাগ মূল্য সংযোজন কর প্রস্তাব করেছেন। এর ফলে আমদানীকৃত মোবাইল ফোনের দাম বাড়বে।
অন্যদিকে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের খরচ কমানোর জন্য ইএসপিসমুহের ব্যবহৃত মাল্টিপ্লেক্সার ও গ্র্যান্ডমাস্টারক্লক এবং এ জাতীয় প্রযুক্তিপণ্যের আমদানী শুল্ক শতকরা ৫ ভাগ কমানোর প্রস্তাব করেছেন তিনি।

সোমবার, ৯ জুন, ২০১৪

আবারো মূল্যহ্রাস স্যামসাং-এর৮টি স্মার্টফোন এবং ট্যাবে!!

গত সপ্তাহে নতুন করে অর্ধডজনেরও অধিক
স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটে মূল্যহ্রাসের
ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং বাংলাদেশ৷
জনপ্রিয় এস৩ ও এস ডুয়োস এর
পাশাপাশি মূল্যহ্রাস হয়েছে ট্যাবলেট ট্যাব
৩ নিও -তে প্রথমবারের মতো।
মূল্যহ্রাসের তালিকা ও শতকরা দরপতন
Samsung Galaxy S Duos (দরপতন
২৫%)বর্তমান মূল্য12630 BDT
Samsung Galaxy S III (দরপতন ১০%)বর্তমান
মূল্য 29700 BDT
Samsung Galaxy Tab 3 Neo (দরপতন
১০%)বর্তমান মূল্য 19900
Samsung I9500
Galaxy S4 (দরপতন ৯%)বর্তমান মূল্য 41000 BDT
Samsung Galaxy S4 zoom (দরপতন
১৩%)বর্তমান মূল্য 41280 BDT
Samsung Galaxy Note 3 Neo (দরপতন
১২%)বর্তমান মূল্য 41400 BDT
Samsung Galaxy Ace S5830 (দরপতন
৭%)বর্তমান মূল্য 14880 BDT
Samsung Galaxy Note 3 (দরপতন ৬%)বতর্মান
মূল্য 49800 BDT
আপনি যদি Samsung এর অন্য কোন
স্মার্টফোন এর দাম জানতে চান
তাহলে কমেন্ট করুন।

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০১৪

ওয়ালটনের নতুন মোবাইল প্রিমো জিএইচ+

দেখে নিন, ওযালটনের নতুন মোবাইল প্রিমো জিএইচ+ এর রিভিউ এক পলকে৷
Model:Walton Primo GH+

Price:10550Tk.
Realise Date: 9 May, 2014
Operating System:Android 4.2.2 (jelly bean)
Processor:1.3 GHz Quad Core Processor
Network Standard:UMTS+GSM
MemoryRAM: 1 GB ;
Storage space(ROM): 4 GB ; Expandable memory up to 32GB
Screen Parameter
Screen size: 5 inch FWVGA; Resolution: 854X480, Support 16.7M color
Camera
Sensors: CMOS;
Rear camera: BSI 5.0 Mega pixels Auto focus;
Front camera: BSI 2.0 Mega pixels; Video recording: Full HD(1080p) (1920x1080);
Flash: Yes
Battery2200 mAh
Sensors
Motion sensors: Accelerometer (3D) Light sensors: Light (Brightness); Position sensor: Proximity;
Special sensor: Hall sensor;
GPS module: GPS with A-GPS network-assisted GPS navigation function

রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

এন্ড্রয়েড মোবাইলকে ওয়াইফাই হটস্পট হিসেবে ব্যবহার

এন্ড্রয়েড মোবাইলকে দিয়ে এখন অনেক কিছুই করা যাচ্ছে৷ তেমনি এন্ড্রয়েডকে ওয়াইফাই হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করা যায়৷
যারা এখনও এই পদ্ধতি জানে না তাদের জন্যই এই পোস্ট৷
কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক৷ প্রথমেই যেটা দরকার, তা হল আপনার সিমে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে যা দিয়ে আপনি ওয়াইফাই চালু করবেন এবং ব্যবহার করবেন৷
প্রথমেই আপনার মোবাইলের সেটিংস্ এ গিয়ে More option এ যান৷

এরপর tethering and portable hotspot এ যান৷

এরপর WLAN hotspot অফ করা থাকবে, সেটা অন করুন৷

Bluetooth tethering অন করেও ব্লুটুথ দিয়ে আপনি ইন্টারনেট চালাতে পারেন৷
তবে যে বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, আপনার মোবাইলের ডেটা কানেকশন অন করে রাখবেন৷ তা নাহলে, আপনি কোনকিছুই করতে পারবেন না৷
ধন্যবাদ৷
আপনার এন্ড্রয়েড সম্পর্কে যে কোনো প্রশ্ন আমাদের কমেন্ট করতে পারেন৷

এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট ও আলোচনা।

যারা অ্য্যন্ড্রয়েড ডিভাইস রুট করতে চাচ্ছেন কিন্ত বুঝতে পারছেন না ভাল হবে নাকি খারাপ হবে তাদের জন্য এই পোস্ট।
 রুট শব্দটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন। অ্যান্ড্রয়েড কথনে তো বটেই, অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক অন্যান্য সাইট, ফোরাম, এমনকি গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ্লিকেশনও চোখে পড়বে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনার ফোন বা ট্যাবলেট রুট করা থাকতে হয়। প্রাথমিকভাবে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না। রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, এমন কথা শুনে অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায়। তখন তারা হতাশ হয়ে পড়েন ও রুটের কার্যকারিতা বা আসল সুবিধা কী এই প্রশ্ন তাদের মনে আবারও উঁকি দিতে শুরু করে। এই লেখাটি তাদের জন্যই যাদের রুট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। এই লেখাটিতে আমি খুব সাধারণভাবে রুট কী তা বোঝানোর চেষ্টা করবো ও ডিভাইস রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো। যেহেতু লেখাটি একদমই নতুন ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্য করে লেখা, তাই বেশিরভাগ টেকনিক্যাল বিষয়গুলো এড়িয়ে কেবল একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়ার মতো করে লেখাটি সংক্ষেপিত করা হয়েছে। অ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা রুট সম্পর্কে যথেষ্টই ধারণা রাখেন বলে আমার ধারণা। তাই লেখাটি তাদের উদ্দেশ্য করে নয়। রুট কী? সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে (অবশ্যই কেবল সেই কম্পিউটার, ডিভাইস বা সার্ভারে!)। রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে)। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে। শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সরাসরি রুট বলেই সেই ব্যবহারকারীকে সম্বোধন করা হয়। অর্থাৎ, আপনার লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের আপনি যদি রুট অ্যাক্সেস প্রাপ্ত ব্যবহারকারী হন, তাহলে আপনি রুট। লিনাক্স এবং অ্যান্ড্রয়েড অনেকেরই হয়তো খটকা লাগতে শুরু করেছে যে, অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে এসে লিনাক্সকে টানা হচ্ছে কেন। মূলত, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। যারা কম্পিউটারে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেছেন, তারা অ্যান্ড্রয়েড রুট করার পর কম্পিউটারের মতোই ফাইল সিস্টেম (রুট পার্টিশন) দেখতে পাবেন অ্যান্ড্রয়েডে, তখন বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে। অ্যান্ড্রয়েডে রুট অ্যাক্সেস লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করার পর আপনার যেই পাসওয়ার্ড থাকবে, সেটি ব্যবহার করেই আপনি রুট অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছেন। এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটিও তো আপনিই কিনেছেন, তাহলে আপনি কেন রুট অ্যাক্সেস পাচ্ছেন না? ট্রিকটা এখানেই। আপনি ডিভাইসটি কিনেছেন ঠিকই, কিন্তু আপনি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমটি ইন্সটল করেননি, তাই না? ডিভাইস প্রস্তুতকারক ডিভাইসটি প্যাকেটজাত করার আগে তাদের কম্পিউটার থেকে লিনাক্স কার্নেলের উপর তৈরি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দিয়েছে। এখানে বলা বাহুল্য, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন। এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়। যাই হোক, মূল বিষয়ে আসা যাক। আপনার ডিভাইস প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইচ্ছে করেই আপনাকে রুট অ্যাক্সেস দেয়নি। এ কথা শুনে কোম্পানির উপর কিছুটা রাগ অনুভূত হলেও সত্য কথা হচ্ছে এই যে, এটি আপনার ডিভাইসের সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন রুট অ্যাক্সেস স্বাভাবিক অবস্থায় দেয়া থাকে না। কেন রুট করা থাকে না ডিভাইস প্রস্তুতকারকরা ইচ্ছে করেই ডিভাইস লক করে দিয়ে থাকেন। রুট ফোল্ডার/ পার্টিশনে থাকা ফাইলগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর কোনো একটি দুর্ঘটনাবশতঃ মুছে গেলে আপনার পুরো ডিভাইস কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। এছাড়াও ম্যালিশিয়াস বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রামও অনেক সময় রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না, তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে। ডিভাইস লক করা থাকার আরেকটি কারণ হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ও ফাইল। অনেকেই ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে থাকেন। রুট করা থাকলে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ট্রান্সফার করে ফেলা যায়। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলো ইন্টারনাল মেমোরির ঠিক যেখানে আছে সেখানেই থাকা আবশ্যক। ব্যবহারকারী যখন ডিভাইস রুট করেন, তখন স্বভাবতঃই অনেক কিছু জেনে তারপর রুট করেন। তখন বলে দেয়াই থাকে যে, কিছু কিছু সিস্টেম অ্যাপস এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করলে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু যদি স্বাভাবিক অবস্থায়ই সেট রুট করা থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী না জেনেই সেটের ক্ষতি করতে পারেন। এমন একটি চিত্র কল্পনা করুন, যেখানে প্রযুক্তি নিয়ে খুব একটা ধারণা রাখেন না এমন একজন ভাবলেন যে তিনি তার ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করবেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি রুট ফোল্ডারে গিয়ে সবগুলো ফাইল কাট করে এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে দিলেন। রুট অ্যাক্সেস থাকার কারণে ট্রান্সফারের সময় ডিভাইস তাকে বাধা দেবে না। কিন্তু ট্রান্সফারের মাঝেই ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আর ঠিকমতো কাজ করবে না। তখন তিনি দোষ দেবেন কোম্পানির কাঁধে। কিন্তু রুট লক করা থাকলে ব্যবহারকারী রুট ফোল্ডার খুঁজেই পাবেন না। আশা করছি এবার বুঝতে পারছেন কেন ডিভাইস বাই ডিফল্ট রুট করা থাকে না। কিন্তু ৯০% (কিংবা তারও বেশি) ডিভাইসই রুট করা যায়। যাদের রুট করার একান্ত প্রয়োজন, তাদের রুট করার উপায় রয়েছে। কিছু কিছু কোম্পানি (যেমন সনি ) নিজেদের সাইটেই ডিভাইস রুট করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজের প্রণালী দিয়ে রেখেছে। কিন্তু তবুও কোম্পানি নিজেরা রুট করা ডিভাইস বাজারে ছাড়ে না, কারণ বেশিরভাগ ক্রেতাই সাধারণ ক্রেতা হয়ে থাকেন যাদের ডিভাইস রুট করার কোনো প্রয়োজনই নেই। কেন ডিভাইস রুট করবেন? ডিভাইস রুট করার কারণ একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। কেউ ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বা ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করার জন্য রুট করে থাকেন, কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে ডিভাইসের গতি বাড়ানোর জন্য রুট করেন, কেউ স্বাধীনভাবে কাজ করা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য, কেউ বা আবার রুট করার জন্য রুট করে থাকেন। আমি নিজেও প্রথম রুট করেছিলাম কোনো কারণ ছাড়াই। লিনাক্স ব্যবহার করি বলে বিভিন্ন সময় রুট হিসেবে অনেক কাজ করেছি কম্পিউটারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট পারমিশন না থাকায় একটু কেমন যেন লাগছিল। তাই রুট হওয়ার জন্য রুট করেছিলাম। পরে অবশ্য পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে শুরু করেছি যেগুলো রুট করা ডিভাইস ছাড়া কাজ করে না। তবে সেসব নিয়ে পড়ে কথা হবে। চলুন আগে এক নজর দেখে নিই রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা। রুট করার সুবিধা পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়। আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব। কাস্টম ইউআই : আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়। কাস্টম রম: ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা- পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন। রুট করার অসুবিধা ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই। ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।

এন্ড্রয়েডের ওয়েব ব্রাউজারস্।

এন্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজারস্ লিঙ্কস
১. UC browser Mini v9.1.1.420
ডাউনলোড
২. Opera Mini Next v7.5.1
৩. One Browser v4.2.2
ডাউনলোড
৪. Baidu Browser v2.1.0.0
ডাউনলোড
৫. UC Browser HD
ডাউনলোড
৬. Dolphin Browser v1.4.2
ডাউনলোড
৭. Google Chrome
ডাউনলোড
৮. Opera Mini(for free net with proxy)
ডাউনলোড
৯. UC Browser 860 Handler UI(for free net with proxy)
ডাউনলোড

শুক্রবার, ২ মে, ২০১৪

ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর কিছু সাধারণ ও অ্যাডভান্সড উপায়

বর্তমান সময়ে বলা যায় চারদিকে স্মার্টফোনের বিপ্লব চলছে। আইটি প্রফেশনাল, বিজনেস এক্সিকিউটিভ থেকে শুরু করে, শিক্ষক, ছাত্র, গৃহিণী কিংবা আমজনতা সকলের হাতেই এখন স্মার্টফোন শোভা পাচ্ছে। বলা যায় আধুনিক জীবনযাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে স্মার্ট ফোন।
বাজারে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্ট ফোন থাকলেও অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্ট ফোন গুলোই চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। তুলনামূলক কম মূল্যে অধিক সুবিধা, বিভিন্ন ধরণের কাস্টোমাইজেশন সুবিধা থাকার কারণেই স্মার্টফোনের বাজারে অ্যান্ড্রয়েড এত জনপ্রিয়।

তবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই যে ব্যাপারটি নিয়ে বিরক্তি এবং অভিযোগ করে থাকেন তা হলো অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাটারি ব্যাকআপ। শক্তিশালি প্রসেসর, র‍্যাম, হাই রেজুলেশন ডিসপ্লে এবং নানাবিধ ব্যবহারের কারণর অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি থেকেও অনেক সময় দেখা যায় ব্যবহারকারী ব্যক্তি তার কাঙ্ক্ষিত ব্যাটারি ব্যাকআপ পাচ্ছেন না।
অথচ সহজ কিছু টিপস ফলো করে সহজেই ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব।আজকে আপনাদের জন্য থাকছে অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কিছু কৌশল। চলুন তবে দেখে নেই কিভাবে কি করবেন

সাধারণ কর্মপদ্ধতি

১) বিনা প্রয়োজনে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের  Wifi, GPS, Bluetooth, 3G কানেক্টিভিটি অন করে রাখবেন না। Wifi, GPS, Bluetooth, 3G প্রচুর ব্যাটারি ইউটিলাইজ করে থাকে।
২) আপনার ডিভাইসটি অটো ব্রাইটনেস সমর্থিত হলে সেটি অটো করে রাখাই ভাল। অটো ব্রাইটনেস না থাকলে ম্যানুয়ালি সেট করে নিলে ভাল ব্যাকআপ পাওয়া যায়। সব সময় ডিসপ্লে ব্রাইটনেস ১০০ তে দিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। নিচের ডাটা অনুযায়ী ব্রাইটনেস সেট করে আমরা ব্যাটারি ব্যাকআপে বেশ উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখেছি।
দিনের বেলা
ঘরের ভিতরঃ 30-40%
ঘরের বাইরেঃ 50-70%
রাস্তায়ঃ 90-100%
রাতের বেলা
ঘরের ভিতরঃ 05-30%
ঘরের বাইরেঃ 15-40%
রাস্তায়ঃ 20-40%
মোট কথা, অযথা বেশি ব্রাইটনেস ব্যবহার না করে সময় উপযোগী ব্রাইটনেস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার দৃষ্টি শক্তি যেমন ভাল থাকবে, ব্যাটারি ব্যাকআপও বৃদ্ধি পাবে অনেক গুণ।
৩) লাইভ ওয়ালপেপার জিনিসটা ব্যবহার না করাই শ্রেয় কেননা এটি বেশ ভাল ব্যাটারি ইউটিলাইজ করে। বিশেষ কোনও প্রয়োজনে যেমন বন্ধু মহলে ডিভাইসটির আকর্ষণ বাড়াতে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন তবে নিজের হাতে আসতেই সাধারণ ওয়ালপেপার সেট করে নিন। কারও কারও মতে কালো রঙের ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়।
৪) সেন্সর ব্যবহার করে কাজ করে এমন কোনও অ্যাপস বন্ধ করতে চাইলে কেবল মিনিমাইজ না করে পুরোপুরি বন্ধ করবেন। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ এবং এর পরবর্তি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনগুলোতে খুব সহজেই হোম বাটন চেপে ধরে সেই এপস টাকে ডানে বামে সোয়াইপ করে বন্ধ করতে পারবেন। অন্যান্য ভার্সনের ক্ষেত্রে কোনও ভাল টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করুন।
৫) একটার বেশি Antivirus কিংবা Battery Saver অ্যাপস কখনও ব্যবহার করবেন না। Juice Defender অ্যাপসটি ব্যাটারি সেভার হিসেবে বেশ কাজের। গুগল প্লে স্টোর থেকে এটি বিনা মুল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
৬) রুটেড ডিভাইস ব্যবহারকারীগন অ্যাপ রান টাইম ম্যানেজমেন্ট এর জন্য  Greenify অ্যাপটি ব্যাবহার করতে পারেন। এতে করে অযাচিত, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আপনার ডিভাইসের ব্যাকগ্রাউন্ড এ রান করতে পারবে না, ফলে ব্যাটারি অনেক বাড়বে। এই অ্যাপটিও প্লে স্টোর থেকে বিনা মুল্যে ডাউনলোড করা যাবে।
এতক্ষন যে কৌশলগুলো অনুসরণ করতে বলা হয়েছে সেগুলো আমরা অনেকেই জানি। এবার আসুন কিছু অ্যাডভান্সড কৌশল জেনে নেই।

অ্যাডভান্সড কর্মপদ্ধতি

কৌশলগুলো কেবল মাত্র  Li-ion ব্যাটারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রায় সব ফোনেই আজকাল Li-ion ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। অনেকে এ পদ্ধতিগুলোর সাথে দ্বিমত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু ইন্টারনেট ঘেঁটে এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এ পদ্ধতিতেই ভাল ফল পেয়েছি। আশা করি আপনারাও এতে উপকৃত হবেন।  
  • ব্যাটারিকে সহজে ১৫-২০এর নিচে ড্রেইন হতে দিবেন না অর্থাৎ ব্যাটারি ১৫-২০% হলেই  দেরি না করে চার্জে লাগাবেন।
  • নিতান্তই বাধ্য না হলে চার্জে লাগানো অবস্থায় ফোন চালাবেন না।
  • চার্জ একটানা দেয়ার চেষ্টা করবেন। খেয়াল রাখবেন একবার চার্জে লাগালে অন্তত যাতে ৩৫চার্জ একবারেই হয়। আর পুরো একটানা দিতে পারলেতো কথাই নেই।
  • ব্যাটারি ১০০% হওয়ার পর এক সেকেন্ডও আর চার্জে লাগিয়ে রাখবেন না। ১০০% চার্জ হওয়ার সাথে সাথেই সেটি আনপ্লাগ করুন। মনে রাখবেন রাত্রে ফোন চার্জে লাগিয়ে কখনও ঘুমাবেন না।
  • ঘন ঘন আপনার ফোনটি চার্জ দিবেন না। চার্জ ৫০% এর উপর থাকলে অযথাই চার্জে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ৩৫-৩০% এর নিচে নামার পর চার্জে দেওয়া যাবে।
  • যেসব অ্যাপস এর Wakelock আছে সেসব অ্যাপস পরিহার করার চেষ্টা করুন। Wakelock আছে কিনা তা Better Battery Stats এই অ্যাপসটি দিয়ে দেখে নিতে পারেন।
  • প্রতি মাসে বা বিশ দিনে একবার ব্যাটারি সম্পূর্ণ ০% হয়ে ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, বন্ধ হলে আবার চালান,কিছুক্ষন চলে আবার বন্ধ হলে একটানা কোন বিরতি ছাড়া ১০০% পর্যন্ত চার্জ দিন, ১০০% হলে ফোন চার্জ থেকে খুলুন এবং ফোন বন্ধ করুন। এবার ব্যাটারি খুলে তা আবার সেটে লাগান এবং সেট অন করুন। দেখবেন ১০-১২% চার্জ কমে গেছে। এ অবস্থায় ফোনটি আবার চার্জে দিন এবং চার্জ ১০০% হলে ডিভাইস আনপ্লাগ করুন। এই কাজটা প্রতি ২০-৩০ দিনে একবার করবেন।
উপরের টিপস গুলো যথাযথ অনুসরণ করে আপনারা আপনাদের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়িয়ে নিতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। তো আর দেরি না করে যারা তাদের ব্যাটারি নিয়ে হতাশায় ভুগছেন, তারা কৌশলগুলো অনুসরণ করুন। আর এ সংক্রান্ত কোন মতামত আমাদের জানাতে ভুলে যাবেন না যেন।

বাংলালিংক দিচ্ছে ১০ হাজার টাকার জেডটিই ভি৮০৭ মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকায়!

banglalink priyojon
বাংলালিংক তাদের “প্রিয়জন” সদস্যদের জন্য প্রায় ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি জেডটিই স্মার্টফোন মাত্র সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় কেনার সুযোগ দিয়েছে। প্রিয়জন প্রোগ্রামের নতুন এই অফারটি ঘোষণার পর থেকেই সবার নজর কেড়েছে। বিশেষ করে যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনবো কিনবো করছেন, তাদের প্রায় সবাই এই ফোন নিয়ে উৎসাহী। কিন্তু কেবল দাম কমানো হয়েছে বলেই কি ফোনটি কেনা ঠিক হবে? প্রথমেই চলুন দেখে নেয়া যাক কী আছে এই ফোনটিতে।

জেডটিই ভি৮০৭ স্পেকস

জেডটিই’র এই ফোনটিতে রয়েছে ৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ৪৮০ বাই ৮০০ পিক্সেল। টিএফটি প্রযুক্তির এই ডিসপ্লেতে পিক্সেল পার ইঞ্চি (পিপিআই) হচ্ছে ২৩৩। এতে রয়েছে ১ গিগাহার্জ করটেক্স এ৯ ডুয়াল কোর প্রসেসর। গেমিং ও অন্যান্য গ্রাফিক্স রেন্ডারিং-এর জন্য রয়েছে পাওয়ারভিআর এসজিএক্স৫৩১ইউ। তবে এর অন্যতম অসুবিধাজনক দিক হচ্ছে এর র‌্যাম। এতে দেয়া হয়েছে ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম যা ফোনের পারফরম্যান্সে খুব বাজে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে ৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ যা এসডি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ানো যায়।
ফোনটিতে রয়েছে ৩জি সুবিধা, যা দেশের ৩জি নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা গ্রাহকদের জন্য নিঃসন্দেহে সুখবর। কিন্তু এর ১৬০০ এমএএইচ ব্যাটারি ৩জি নেটওয়ার্কে খুব দ্রুতই নিঃস্ব হয়ে যেতে পারে, যেক্ষেত্রে আপনাকে সবসময়ই পাওয়ার সোর্সের ধারেকাছে থাকতে হবে। এছাড়া ফোনটিতে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ৩.০, জিপিএস, এক্সেলেরোমিটার ও প্রক্সিমিটি সেন্সর রয়েছে।
ফোনটির ক্যামেরা আপনাকে বেশ ভালোভাবেই হতাশ করবে। কেননা, এর পেছনে রয়েছে মাত্র ৩.১৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আরও দুঃসংবাদ হলো, এর সামনে কোনো ক্যামেরা নেই। ফলে স্কাইপে ভিডিও কল করা কিংবা সেলফি তোলা এই ফোনে অন্তত সম্ভব হবে না।
এছাড়া জেডটিই’র এই ফোনটিতে চলছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.১  জেলি বিন। অফিসিয়ালি এতে অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট আসার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে কাস্টম রমের মাধ্যমে কিটক্যাট ইন্সটল করা যেতে পারে যেক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি হারাতে হবে ক্রেতাকে।

কেনা কি ঠিক হবে এই ফোন?

ZTE V807
১০ হাজার টাকার আশেপাশে দামে এই ফোন কেনার কথা ভুলেও চিন্তা করা যায় না। কিন্তু যেহেতু বাংলালিংক তাদের প্রিয়জন গ্রাহকদের সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকার মধ্যে ফোনটি কেনার সুযোগ করে দিয়েছে, সেহেতু ফোনটি আসলেই কেনা উচিৎ কি না তা ভাবার অবকাশ রয়েছে।
প্রথমেই বলে নেয়া উচিৎ, ফোনটি দিয়ে আপনি বেসিক অপারেশন করতে পারলেও স্মার্টফোনের স্বাদ তো পাবেনই না, বরং শিগগিরই এটি আপনার সারাক্ষণের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এর জন্য কেবল ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম ও ‌১ গিগাহার্জ প্রসেসরই দায়ী নয়, বরং আপনি যেসব অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করবেন, সেগুলোর বেশিরভাগই বেশি প্রসেসর বা র‌্যাম ব্যবহার করে থাকে (যেমন ফেসবুক মেসেঞ্জার), আর তাই আপনা-আপনিই পুরনো হার্ডওয়্যারে পারফরম্যান্স খুবই খারাপ হয়। এই দোষ ফোনের নয়, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম, যার শিকার কম হার্ডওয়্যারের প্রায় সব ফোন।
ফোনটিতে এমনিও আপনি খুব বেশি অ্যাপ ইন্সটল করতে পারবেন না। কেননা, সেক্ষেত্রে অ্যাপের পাশাপাশি ফোনের ইউজার ইন্টারফেসও এতোটাই ধীরগতির হয়ে পড়বে যে ফোন আছড়ে ভাঙার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। তেমন অ্যাপ ইন্সটল না করলেও একটা সময় পর সেটের গতি ধীর হতে শুরু করবে যা লো থেকে হাই-এন্ড সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই লক্ষ্য করা যায়। তবে লো-এন্ড ফোনের হার্ডওয়্যার দুর্বল থাকে বলে এগুলোতে সমস্যাটা বেশি মাত্রায় ধরা পড়ে।
গেমপ্রেমীরা হয়তো ফ্ল্যাপি বার্ড কিংবা টেম্পল রানের মতো গেম খেলতে পারবেন, কিন্তু অনেক বেশি গেম ইন্সটল করতে পারবেন না কিংবা এইচডি গেম সুবিধাজনক পারফরম্যান্সে খেলতে পারবেন না।
সবমিলিয়ে বলা যায়, তুলনামূলক কম দাম হিসেবে ফোনটি ঠিক আছে। আপনার জরুরি ভিত্তিতে একটি ফোন দরকার কেবল কথা বলার জন্য ও মেসেজিং/ইমেইল এর জন্য, সেক্ষেত্রেও ফোনটি ঠিক আছে। কিন্তু আপনি যদি অনেকদিন ধরে একটি অ্যান্ড্রয়েডের স্বপ্ন দেখে থাকেন, তাহলে এটি মোটেই আপনার জন্য নয়। কেননা, এটি আপনাকে সন্তুষ্ট তো করবেই না, বরং উল্টো অ্যান্ড্রয়েডের উপরেই মন বিষিয়ে তুলবে।
ফলে, সিদ্ধান্তটা নিতে হবে আপনার চাহিদার উপর ভিত্তি করে। যদি যে কোনো মূল্যে আপনার একটি ফোন দরকার হয়, তাহলে ফিচার ফোনের বদলে এই ফোনটি কিনতে পারেন। দাম অনুপাতে জেডটিই ভি৮০৭-কে খারাপ বলা যাবে না কোনোভাবেই। কেবল মনে রাখা দরকার প্রত্যাশাও হতে হবে ফোনের দাম ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ীই।বিশেষ করে যদি যদি “অ্যান্ড্রয়েড ফোন’ দরকার হয়, তাহলে ঠিক কী কারণে অ্যান্ড্রয়েড প্রয়োজন সেটা খুঁজে বের করুন এবং সেই চাহিদা জেডটিই’র এই ফোনে পূরণ হবে কি না তা যাচাই করে নিন। আপনি অবশ্যই ছবি তোলায় আগ্রহী হয়ে এই ফোনটি কিনতে চাইবেন না কিংবা হেভি গেমার হয়ে ফোনটিতে খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারবেন না।
আর হ্যাঁ, বাড়তি সুবিধা হিসেবে প্রত্যেক ক্রেতা এই ফোনের সঙ্গে পাবেন ১ গিগাবাইট ফ্রি ইন্টারনেট ডেটা।
 আপনার কী মতামত? যত কম মূল্যেই হোক, ফোনটি কেনা কি উচিৎ হবে?